22 August, 2009

আবারো অহেতূক অকারণ

গত সন্ধ্যায় টর্ণেডোর মতো হলো, কিংবা পূর্ণ টর্ণেডো। আজ মেট্রো নিউজ লিখেছে - বেশ কিছু বাড়ি ধ্বসে গেছে, এক কিশোর মারা গেছে। সে সময় বাসায় ফিরে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ তুমুল ঝড় তুফানের শব্দ। উঠে জানালা বন্ধ করলাম। বাইরে, মনে হচ্ছিলো, বিশাল বিশাল গাছ উড়ে যাবে বাতাসে। জানালা বন্ধ করে আবার ঘুম দিলাম। ঘুম থেকে উঠলে ফ্রেশ লাগে। রাত জেগে বই পড়া যায়, সিনেমা দেখা যায়, ব্লগ লেখা যায়, ব্লগ পড়া যায়। অথচ কোনোটাই হলো না। প্রথমে 'মাটির জাহাজ', তারপর 'বাংলাদেশের ছোটগল্প জীবন ও সমাজ', তারপর 'লাভ ইন দ্য টাইম অব কলেরা' এবং শেষে 'পেইনলেস স্পীকিং' পড়ার চেষ্টা করলাম। মন বসে না। কম্পিউটারে বেশ কিছু ম্যূভি নামানো আছে - 'মাটির ময়না', 'টার্মিনাল', 'লাভ ইন দ্য টাইম অব কলেরা', ডিভিডিতে আছে - 'চিত্রা নদীর পাড়ে', 'বড় ভালো লোক ছিল', '৩৬ চৌরঙ্গী লেন', 'দেব-ডি', কিংবা আবার দেখা যায় 'হীরক রাজার দেশে', 'গোপী বাইন বাঘা বাইন', 'গোপী বাঘা ফিরে এলো'। অথবা আধ দেখা - 'দ্য কাইট রানার'...।
আগ্রহ পেলাম না একেবারে...।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর 'স্পার্টাকাস-৭১' দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম খুব।
সিক্যুয়েল 'এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি' এসেছে গত ঈদে। আলোচিত-সমালোচিত হয়েছে ঐ সময়। নানান কারণে দেখা হচ্ছিলো না, দেখলাম এই ফাঁকে গত সপ্তায়। এ পর্বে ফারুকীয় চাতুর্য্য আছে, কৌশল আছে। দুই শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মা এমন করে নীরব থাকতে পারেন কিনা সেটা নিয়েও দ্বিমত হতে পারে। আপত্তি নেই। তবে রাজাকারের সন্তানের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর যে চেষ্টা ফারুকী করলো, তা মেনে নিতে পারছি না কোনোভাবেই। বাংলাদেশে ক'টা রাজাকারের ছেলে প্রকাশ্যে বলেছে যে তারা তাদের বাবার কৃতকর্মের জন্য দুঃখিত লজ্জিত? বরং সাপের বাচ্চা সাপ হওয়ার মতো করেই আধুনিকতার বেশে রাজাকারের ছেলেপুলে আরো ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

হুমায়ূন আহমেদের 'শ্যামল ছায়া' দেখেছিলাম রিলিজের সময়ই। ২০০৪ এর ডিসেম্বর সম্ভবত।
৭১এ ইঞ্জিন নৌকা ছিলো কি ছিলো না, সে তর্ক এবং নির্মাণের দূর্বলতা বাদ দিলে ভালোই লেগেছিলো। একই বছর একই সময়ে মুক্তি পেয়েছিলো তৌকিরের 'জয়যাত্রা'। অনেককেই বলতে শুনেছি 'শ্যামল ছায়া'র চেয়ে 'জয়যাত্রা' ভালো করেছে। দেখার সুযোগ মিলেনি। টরেন্ট থেকে নামিয়ে রেখেছিলাম, দেখলাম পরশু। কাহিনীর গতি এবং পথ বেশ মসৃণ। একই চরিত্রের মুখে গ্রাম্য এবং শহুরে সংলাপের মিশ্রণ আছে। কিন্তু, নানান জায়গায় আমি বারবার 'শ্যামল ছায়া'র সঙ্গে মিল পাচ্ছিলাম। দুটো ছায়া কোথাও মিলে গেলে ছায়া শিকারী হতে আর ইচ্ছে করে না।

রিসার্চ পেপারের কাজে লাইব্রেরী ঘুরে ক্লান্ত হলে যেতাম বিজনেস সেকশনে। মিসনের বলা কিছু বই এনে পড়লাম গত তিন মাসে। একটার চেয়ে আরেকটা দূর্দান্ত। লেখকদের নাম খুঁজে খুঁজ়ে আরো কিছু পেলাম, এবং পড়লাম। লেভিটের মার্কেটিং মায়োপিয়া দিয়ে শুরু, অন্ততঃ এর পরের গতির ক্রেডিট মিসনেরই প্রাপ্য। দু'সপ্তাহ আগে কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদটুকু জানিয়েছি মেইলে, বলেছি - শান্তিময় ও সফল জীবন কামনা করছি। টিআরএসএম নিডস মোর পিপল লাইক ইউ!

রিসার্চ পেপার ডিফেন্স ছিলো গত ১০ তারিখে। কোনো এক অদ্ভুত কারণে ৫৪ জনের মধ্যে আমার ডাকই পড়লো শুরুতে। ডিফেন্স কমিটি প্রথমবারই বললো - 'কনগ্র্যাটস'। মাইনর কিছু রিভিশন ছিলো। জমা দিলাম গত সোমবারে। আজ সকালে প্রফেসর ইউ'র মেইল পেলাম, 'এবার প্রিন্ট আউট জমা দিতে পারো'। কো-অর্ডিনেটর আলিসিয়া মেইল করছে - সফট কপিও দেয়া লাগবে। ইবলিশ গ্লোরিয়ার সঙ্গেও মেইল চালাচালি হলো। কনভোকেশনে থাকো আর না থাকো, এপ্লাই করতে হবে। সঙ্গে ৪০ ডলার গচ্ছা।

ইন্টার্ণশীপ শেষ হয়ে এলো প্রায়।
অফিসের এলাকাটা মিস করবো খুব। আজ ক্যামেরা নিয়ে বের হয়েছিলাম। ইয়াং স্ট্রীটের ছবি তুললাম কিছু। টিম হর্টনসে সেই স্যুপ কম্বো খেলাম অনেক দিন পরে। লাইব্রেরীর বই ছিলো, জমা দেয়ার কথা আজ। একটার হিসাব মেলে না। ৮টা জমা দিলাম, একটা ভুলে রয়ে গেছে বাসায়, কাল দিয়ে আসতে হবে।

ইন্টারনেটে ঘুরে দেখছিলাম - বিশ্বের সবচে' বড় বইয়ের দোকান আমার স্কুল থেকে খুব দূরে নয়।
আজ গিয়ে মাথা চক্কর দেয়ার অবস্থা।
কিছু বই কেনার বাজেট ছিলো, কিনে নিলাম - 'মার্কেটিং ওয়ারফেয়ার', 'পজিশনিং; দ্য ব্যাটেল ইন দ্য মাইন্ড', 'অন ওয়ার', 'ইন সার্চ অব এক্সিলেন্স', 'ব্রান্ডিং', ম্যালকমের ৩টা বই (প্রিয়র জন্য গিফট) এবং শেষ মুহূর্তে 'পোস্টমর্ডানিজম'। ক্যাশের মেয়েটা জোর করে একটা আই-রিওয়ার্ড কার্ড গুছিয়ে দিতে চাইলো। বারবার বললো - 'আর ইউ শিউর'! শেষে আমার অবস্থান ও গন্তব্য শুনে বললো - 'ঠিকাছে'।
গত ১১ মাসে কোল, ইন্ডিগো আর চ্যাপ্টার আমার ডেবিট কার্ডের বড়ো অংশ খসিয়েছে...।

গতকাল প্রিয়-রুমকি ফোনে জানালো সিনেমা দেখতে যাবে।
'লাভ আজকাল' চলছে এক সিনেমা হলে। ম্যাককাউন থেকে বাসে ৪ কিলোমিটার।
ভিপি'তে দেখা করে রওনা দিলাম। সিদ্ধান্ত বদলে - 'কামিন' দেখলাম। উড সাইড সিনেমা হল। তামিল ছবির জন্য আলাদা কাউন্টার। চারশ'র বেশি লোক বসার জায়গা আছে। কিন্তু, দর্শক সর্বসাকুল্যে দুই ডজনেরও কম। পরের শো'তে একটু ভীড় বেশি মনে হলো। সব মিলিয়ে মনে হলো - মহারাষ্ট্রের কোনো এক হলে সিনেমা দেখতে গেলাম। সিনেমা হিসেবে 'কামিন' খারাপ না, চলে...। আহামারী কিছু না। বিনোদন, স্রেফ বিনোদন।

আগামীকাল রোজা শুরু হচ্ছে।
টানা চতুর্থ বছর বাইরে আছি এ সময়। ওহ, গতবার ১ম রোজা দেশে ছিলাম, ২য় রোজার দিন ফ্লাইট।
ধর্মকে ব্যক্তিগত জীবনে রেখে চর্চাটুকু ন্যূনতম থেকে আরো ন্যূনতম হচ্ছে ক্রমশঃ।
এরপরও রোজা আসলে নানা অনুভূতি ভীড় করে। স্মৃতিরা দুপদাপ হানা দেয়। শৈশব - কৈশোরের স্মৃতি। চোখ বুঁজলেই একটা দৃশ্যকল্প মনে ভাসে - সময় বিকেল ৪টা ৪৫, রান্নাঘর থেকে বুট-পেঁয়াজো-বেগুনি-চপ ভাজার ঘ্রাণ ভেসে আসছে, বিটিভিতে মহাবিরক্তিকর অনুষ্ঠান - 'মাহে রমজান'। কিছু মৌসুমী ধার্মিক কিশোর যুবা মাথায় টুপি দিয়ে মহল্লায় গলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কথিত ভাবগাম্ভীর্য, মহাত্ম্য, দ্রব্যমূল্যের আকাশ ছোঁয়া দাম, পাঁচ তারার ব্যুফে ইফতার আর দারিদ্র্যের অগমে দূর্গমে থাকা মানুষের ফাস্ট ব্রেকিং'এর চরম স্পষ্ট ব্যবধান, এই সব অসহায়ত্ব, মধ্যবিত্ত সীমাবদ্ধতা। তবুও উৎসব, তবুও ভালোলাগা। অপেক্ষায় পত্রিকার ঈদসংখ্যা, আপার জন্য ঈদ ফ্যাশন সংখ্যা কেনা। ২৯ রোজার দিন সকালে পত্রিকার শিরোনাম আগাম বলে দেয়া, 'আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ'।

পরবাসী মানুষ নাকি স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকে।
আর আমার অতীতচারিতা তো আরো নিন্দিত।
তাই কেবলই ঘ্রাণ পাই - ফেলে আসা দিনের, আমাকে রেখে চলে যাওয়া কোনো এক ট্রেনের।
'"ইফ ইউ মিস দিস ট্রেন আয়্যাম অন, ইউ উইল নো দ্যাট আয়্যাম গন, ... হান্ড্রেড মাইলস, ফাইভ হান্ড্রেড মাইলস এওয়ে..."

আম্মা ফোনে জিজ্ঞেস করলো গতকাল, "প্লেনের টিকিট কাটছো?"
"পেপারটা ফাইনাল হোক, মা। তারপরে জানাবো।"

Read more...

12 August, 2009

ধুসর গোধূলীর জন্মদিনে...

সঠিক বানান কোনটি? ধুসর নাকি ধূসর, কিংবা গোধুলী নাকি গোধূলী?
আবার বলা হয় – নামের বানানে ভুল নেই।
ভুল থাকুক আর না থাকুক, এটাও বলা হয় – নাম দিয়ে যায় চেনা, নামেই পরিচয়।
বাংলা ব্লগ জগতে তেমনি একটি নাম ধুসর গোধুলী।
বিরামহীন কমেন্ট, হাসি মজায় ভরপুর, ক্লাসিক শালী শিকারী এই ধুসর গোধুলীকে নিয়েই বোধ হয় বাংলা ব্লগে সবচে’ বেশী ফ্যান্টাসী লেখা হয়েছে।
নিকের পেছনের মানুষটির বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ আছে অন্ততঃ ৩৭টি।
ইচ্ছে ছিলো – ৩৭টি অভিযোগ নিয়ে ধুসর গোধুলীর ৩৭তম জন্মদিনে বিশাল একটি পোস্ট ছাড়বো। কিন্তু, একটু আগে জানতে পারলাম – এবার ৩৭তম নয়, ৩৮তম জন্মদিন তার। তাই অভিযোগ টভিযোগ বাদ।
একটা সত্য গল্প বলি।
আজ সকালে ফোনে রুমার কাছ থেকে শুনলাম এ গল্প।
_
ছাত্র জীবন থেকে ধু-গো মহা বাজিগর।
বাজি ধরে আর জিতে। ধরে আর জিতে। ধরে আর জিতে।
হারাহারি নাই।
একটি বহুজাতিক কোম্পানীর ঢাকা অফিসে ধু-গো যখন জয়েন করলো, তখন সবাইকে নাজেহাল করে ছাড়লো। এটা নিয়ে বাজি, ওটা নিয়ে বাজি। প্রত্যেকবার ধু-গো জিতে।
অফিসের বিগবস অতিষ্ট হয়ে ধু-গো কে চিটাগাং ট্রান্সফার করে দিলো।
চিটাগাং অফিসে যাওয়ার পরপর ওখানে বিশাল হৈ-হল্লা পড়ে গেলো। হেড অফিস থেকে সেই মহা বাজিগর চিটাগাং অফিসে জয়েন করেছে।
চিটাগাং অফিসের বস ধু-গো’কে রুমে ডাকলো, “আচ্ছা, ধু-গো আপনি নাকি বাজি ধরেন আর জিতেন, সত্য নাকি?”
ধু-গো মিটিমিটি হাসে, বিনয়ী হয়ে বলে “জ্বী স্যার”।
বস্‌ এবার আগ্রহ নিয়ে বলে, “দেখি আমার সঙ্গে ধরেন তো একটা বাজী।“
ধু-গো বলে, “বাদ্দেন স্যার, পারবেন না”।
বস বলে, “আরে না, ধরেন – অসুবিধা কী?”
ধু-গো রাজী হলো, ৫০০ টাকার বাজী, বললো – “স্যার আপনার দুই পায়ের তালুতে মোট ১৫টা তিল আছে”।
বস এবার হা হা করে হাসে। বলে, “ধুর কী বলেন? ৫০০ টাকা তো হারালেন!”
ধু-গো হাল ছাড়ে না, বলে – “স্যার আমি শিউর – ১৫টা তিল আছে, আপনি জুতা মোজা খোলেন”।
বস জুতা মোজা খুললো। দেখা যায় কোনো তিল নাই।
সবাই হাত তালি দেয়। ধু-গো পকেট থেকে ৫০০ টাকা বের করে বসের হাতে তুলে দেয়।

খানিক পরে ঢাকা অফিস থেকে ফোন।
ঢাকা অফিসের বিগ বস করেছে চিটাগাং অফিসের বসের কাছে, “হ্যালো, আপনার ওখানে ধু-গো জয়েন করেছে? আজই তো যাওয়ার কথা।“
চিটাগাং অফিসের বস হো হো করে হাসে, “হ্যাঁ হ্যাঁ জয়েন করেছে, তবে বেচারা বাজীতে ৫০০ টাকা হেরে মন খারাপ করে বসে আছে, হে হে হে”
“কী বলেন, কী হয়েছে?” ঢাকা অফিসের বসের প্রশ্ন।
“আর বলবেন না, আমার দুই পায়ের তালুতে নাকি ১৫টা তিল আছে, এই বাজী ধরে ৫০০ টাকা হেরে এখন চুপচাপ ডেস্কে বসে আছে”।
ঢাকা অফিসের বস হাহাকার করে ওঠেন, “হায় হায় এটা কী হলো? সর্বনাশ!”
চিটাগাং এর বস জিজ্ঞেস করেন, “কেনো স্যার, কী হয়েছে?”
ঢাকার বস বলেন “আর বলবেন না, ধু-গো ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় আমার সঙ্গে বাজী ধরে গেছে, চিটাগাং অফিসে গিয়ে ৩০ মিনিটের মধ্যে আপনার দুই পায়ের জুতা মোজা খুলিয়ে ছাড়বে, ৫০০০ টাকার বাজী ছিলো, আমি তো হেরে গেলাম!”
“এঁ!” চিটাগাং এর বস থ মেরে থাকে।

তো এই হলো ধুসর গোধুলী।
রুমার বলা এই গল্পটা সত্যও হতে পারে, মিথ্যেও হতে পারে। তবে এ কথা ১০০ ভাগ সত্য – আজ ধু-গো’র জন্মদিন।
এমন শুভদিনে জা-কা-জা এবং সমগ্র সচলসঙ্গীর পক্ষ থেকে ধুগো’কে সীমাহীন শুভকামনা। শুভ জন্মদিন।
_
বিঃদ্রঃ – রুমা কে – জানতে হলে আজ থেকে ২ বছর আগের এই দিনের পোস্টে চোখ বোলাতে হবে।

Read more...

04 August, 2009

বন্ধু

অগাস্ট এসে গেলো।

"যত দূরে-দূরে যাবে বন্ধু
একই যন্ত্রণা পাবে
একই ব্যথা ডেকে যাবে
নেভা নেভা আলো যতোবার জ্বালো
ঝড়ো হাওয়া লেগে তার শিখা নিভে যাবে"


পুরনো কথা। আবারো বন্ধুত্বের দিবসীয় আনুষ্ঠানিকতা। কে কবে বলে কয়ে বন্ধু হতে পেরেছিলো - এফ্ল্যুয়েন্ট সাইবার সোসাইটি কি জানে?

বরং এবার নতুন করে একলব্য শুনি -

Get this widget | Track details | eSnips Social DNA

_
সঞ্জীব চৌধুরীর হাতের পরশ -
Get this widget | Track details | eSnips Social DNA

_
এবং সামিনা চৌধূরীর - বন্ধু তোমার পথের মাঝে-
Get this widget | Track details | eSnips Social DNA

.

Read more...

01 August, 2009

পোস্টারায়তন: ওরা ৩ জন যৌবনমুখী

মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে।
বাহারী কথার চমক।
ফ্রিডম টু চুজ।

এর মধ্যে সচলায়তনে চলছে -
পোস্টে পোস্টে পোস্টার্মারামারি।
___

গানের জগতে অন্যতম পরিচিত নাম ইবা রহমান। গান গেয়ে তিনি দর্শকদের হৃদয়ের কোটরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। গান গেয়ে তিনি জাপান-বাংলা কালচারাল ফোরাম অ্যাওয়ার্ড, ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড, ইন্দোবাংলা কালা মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, সিজেএফবি অ্যাওয়ার্ড, বিবিএসএস অ্যাওয়ার্ড, কালাকার অ্যাওয়ার্ডসহ আরো অনেক সম্মাননা পেয়েছেন।

তার এই মিউজিক ভিড্যু এলবামটা এখনো দেখি নাই।
ইউট্যুবেও পাইলাম না কিছু।
কেউ কিনলে/পাইলে ইউট্যুবে তুলে দিবেন প্লিজ।
-
01- POSTAR FINAL

___

নোটঃ কোলাজের ছবিগুলো ইন্টারনেট থেকে নেয়া। লিংক এখন পাচ্ছি না।
.

Read more...

  © Blogger templates The Professional Template by Ourblogtemplates.com 2008

Back to TOP