29 August, 2006

মংগা সেলিব্রেশান



অ্যাটেনশান, ইয়োর অ্যাটেনশান please... প্রতি বছর আসে, প্রতি বছর যায়। তাই নিয়মমতো আবার আসছে - আশ্বিনের মংগা...।

মাসের হিসাবে আর বেশী দূরে নেই। সো, গেট রেডি ফর সেলিব্রেশান!!!

অ্যাটেনশান - ত্রাণ মন্ত্রণালয়। ওয়েক আপ!! আংগুলের কড়ে আর হিসাব করা যাবে না, ক্যালকুলেটরেও কূলাবে না। এক্স-পি কিংবা এসপিএসএস নিয়ে বসে পড়ুন। বিশাল ভাগাভাগি হবে, কাড়াকাড়ি হবে। ইলেকশনের আগে শেষ সুযোগ! কোন লেভেলে কত দেয়া লাগবে, নিজে কত পাবেন ঠিক করে নিন, কুইক! ইয়ার-এন্ড-ট্রিপে আর কক্সবাজার রাঙামাটি নয়, এবার সিংগাপুর কিংবা মরিশাসের কথা ভাবতে পারেন।

অ্যাটেনশন অনারেবল পলিটিশিয়ানস, এটাই চরম সুযোগ। সোনায় সোহাগা। জনদরদী হওয়ার, জনগণের কাছে যাবার মোক্ষম চান্স! লংগরখানা আর রিলিফ সেন্টারের লোকেশন গুলো ঠিক করে নিন। আপনাদের পটু সহধর্মীনিদের জন্য জামদানী-কাতানের বদলে সুতির শাড়ী কিনে নিন। মংগা আক্রান্ত বুভূক্ষ মহিলাদের পাশে আপনাদের রমনীরা পাবলিক রিলেশন আর মাস-কম্যুনিকেশনে বিরাট ভূমিকা রাখবে। ওদের ভোটগুলো এখনই কনফার্ম করে নিন! ডোন্ট মিস ইট!

সমুদয় "যথাযথ কর্তৃপক্ষ" এবার হিসাবটা অন্যরকম হবে। মংগার সাথে আসবে রমজান! কী অপূর্ব সমন্বয়! ইহকাল-পরকালের মাল সামানা এবার গুছিয়ে নিন। ভাগ-বাটোয়ারায় ছাড় দিবেন না একদম!

সো কল্ড "পিপলস'স পার্লামেন্ট" এর সম্মানীয় সম্পাদকবৃন্দ - এবার বিশেষ সম্পাদকীয় লিখুন - "এটা পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। আলীদিঘী গ্রামের আম্বিয়া খাতুন সাত দিন না খেয়ে রোজা রাখছে, কচু সিদ্ধ দিয়ে ইফতার করছে...।" বাট please ডোন্ট ফরগেট টু পার্টিসিপেট কালারফুল ইফতার পার্টিস ইন ফাইভ স্টারস! ইলেকশনের আগে দরাদরির কাজটাও সেরে নিন। পাওয়ার অব মিডিয়া দেখানোর ধমক দিন।

"অংপুরের ছাওয়াল" আনিসুল হক, আপনি এবারো "অরণ্য রোদন" করবেন। ভালো কিছু লেখা লিখবেন। পাঠক পড়ে মন খারাপ করবে। ...এটুকুই!

অনারেবল পলিসিমেকারস্, সেল্ফ প্রোক্লেইমড পেট্রিঅটস - আশ্বিনের মংগা আসছে। সাদরে বরণ করা দরকার।

...সুতরাং দেরী নয় আর। গেট রেডি - কাউন্ট ডাউন...

Read more...

08 August, 2006

মুখোশহীন মুখ

পরপর দুটো খুনের ঘটনা নামকরা সাইকোঅ্যানালিস্ট ড. স্টিভেন জুড-এর জীবনটা অস্থির করে তুলে। সকালে খুন হয় এক রোগী জন হ্যানসন; জুডের চেম্বার থেকে বেরুনোর কয়েক মিনিটের মধ্যে। হ্যানসন পরা ছিল জুডের রেইনকোট। পুলিশ অফিসার ম্যাকগ্রেভির সন্দেহের চোখ পড়ে জুডের উপর। সকালের ধকল না কাটাতেই সন্ধ্যায় অফিসে বিভৎসভাবে খুন হয় জুডের সেক্রেটারি ক্যারোল। এবার ম্যাকগ্রেভির সন্দেহ আরো দৃঢ় হয়, কিন্তু প্রমাণের অভাবে গ্রেফতার করে না। ম্যাকগ্রেভির সাথে জুডের একটা পূর্ব শত্রুতার ব্যাপার ছিলো। আরেক পুলিশ অফিসার অ্যানজেলি বারবার জুডকে সাহায্য করে যায়, সতর্ক করে দেয়; ম্যাকগ্রেভি সুযোগের অপোয় আছে, যে কোন মুহুর্তে ফাঁদে ফেলতে পারে।

জুড খুব চেষ্টা করে সব দু:শ্চিন্তা বাদ দিয়ে স্বাভাবিক কাজ কর্মে থাকতে, তাই নিয়মিত রোগী দেখে যায়। কিন্তু অজানা শত্রু তার পিছু ছাড়ে না। রাস্তায় গাড়ি চাপা দেয়ার চেষ্টা করে - ভাগ্য জোরে জুড বেঁচে যায়। অথচ ম্যাকগ্রেভি বিশ্বাস করে না, বলে - সব জুডের সাজানো নাটক। অ্যানজেলি জুডকে মানসিক সার্পোট দিয়ে যায়, পুলিশ বিভাগের বড় কর্তাদের কাছে জুডের সাথে ম্যাকগ্রেভির শত্রুতার কথা ফাঁস করে। তবুও জুড নিরাপত্তা পায় না। কারা যেন ইলেকট্রিসিটি অফ করে জুডের অফিসে হামলা করে, কিন্তু খুন করতে পারে না। পুলিশ এগিয়ে আসে না।

অবশেষে জুড প্রাইভেট ডিটেক্টিভ নিয়োগ করে মোডিকে। রহস্যজনকভাবে মোডি ও খুন হয় খুব দ্্রুত। অ্যানজেলি সতর্ক করে দেয় বারবার, সময় আর বেশী নেই। এরপর জুড মরিয়া হয়ে উঠে । শত্রুর তালিকায় কাউকে ফেলতে পারে না। তবুও মোডির দেয়া সূত্র ধরে এগিয়ে যায়। রহস্যময় রোগী অ্যানির সাথে কোথায় যেন একটা সম্পর্ক খুঁজে পায়। কিন্তুবেশী কিছু জানা যায় না। তারপর এগিয়ে আসে অ্যানজেলি। সাহায্যের কথা বলে নিয়ে যায় অপরিচিত এক জায়গায়। সেখানে দেখে মাফিয়া দলের প্রধান মাইকেল; অ্যানির স্বামী। অ্যানজেলির আসল রূপ তখন বেরিয়ে আসে, সে মাইকেলের সহচর। মাইকেলের ধারণা ছিল, অ্যানি তার অবৈধ ব্যবসার কথা জুডকে বলে দিয়েছে। তাই ভুলক্রমে প্রথমে খুন করে হ্যানসনকে। তারপর অ্যানির সাথে জুডের কথকথার টেপ আনতে গিয়ে খুন করে ক্যারোলকে। পরের সব ঘটনার আড়ালে ছিল অ্যানজেলি। একে একে সব মুখোশ খসে পড়ে। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় - জুডকে খুন করা হবে। মাইকেল কুট কৌশলে প্রথমে খুন করা হয় অ্যানজেলিকে। তারপর জুডের এক সাইকোলজিক্যাল গেমে পরাজিত হয় মাইকেল। নিজের পাতা ফাঁদে মারা যায়। ম্যাকগ্রেভির সহায়তায় অ্যানিও রক্ষা পায়। (অত:পর সবাই সুখে শান্তিতে বাস করিতে লাগিলো)।

দি ন্যাকেড ফেস, সিডনী শেলডনের প্রথম উপন্যাস। অবশ্যই বেস্ট সেলার! শেলডনের মাত্র দুটো উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পুরুষ। তাই জুড ছিল শেলডনের যত্নে গড়া এক চরিত্র। অথচ পাঠক জানেনি জুডের বয়স কতো, প্রয়োজনও ছিল না তেমন। আমার মতো যারা শেলডনের "ইফ টুমরো কামস" কিংবা অন্য কোন বই পড়েছেন - তাদের কাছে দি ন্যাকেড ফেস কিছুটা পানসে মনে হতে পারে। তবুও চমকের কমতি ছিল না। একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করে রাখা খুব কঠিন! এখানেই শেলডনের সাফল্য !

Read more...

07 August, 2006

তোর জন্য

দুপুরে এসে সকালের ছেলে মানুষী
ভুল সব কান্ড-কারখানা
ধোঁয়া উঠা ভাতের বদলে
পায়েশ কিং বা ছানা।
ব্যবধান বেড়ে তুই আর আমি
এবং আমরা চতুর্ভূজ
বিচ্ছিন্ন দ্বীপ
মাঝে বয়ে যায় কষ্টের নদী।
কোন সাঁকো পারবে না
করবে না সংযোগ,
কেবলই আমাদের কাছে আসা
এক হওয়া
বড্ড প্রয়োজন - অতএব
ভুল করিস্ না আর;
জেনে রাখিস
সোডিয়াম লাইট খুব বিভ্রম সবসময়,
সব যায়নি এখনো
আমিও যাইনি যেমন -
একটি মোমবাতি হাতে
অন্তত:তোর ফেরার অপেক্ষায় - - -

Read more...

01 August, 2006

আপনি, তুমি ও তুই

আপনাকে আমি চিনতাম না কখনো
হঠাৎ একদিন দেখা হলো
পরিচয় হলো
অনেক অনেক কথা হলো।

কথার পিঠের কথকথায়
তুমি আমাকে চিনলে
কাছে নিলে
আপন ভেবে ভালোবাসলে।

ভালোবেসে দেখলে - আমি একটা অপদার্থ।
তারপর তুই আমাকে
চড় দিলি
গলা ধাক্কা দিলি
লাথ্থি দিলি
থুতু দিলি,

জানি না - তুই কী পেলি
কিন্তু - আমার সব কেড়ে নিলি!

Read more...

  © Blogger templates The Professional Template by Ourblogtemplates.com 2008

Back to TOP