11 May, 2008

চিলেকোঠা জলে জলময়

গত রাতে বৃষ্টি ছিলো, মনে হয় হাল্কা ধরণের। রাত তিনটায় যখন ঘুম ভাঙলো, বুঝিনি পিপাসায় নাকি বাতাসের শব্দে। অনেকদিন পরে রাত নয়টায় ঘুমানোর কথা মনে পড়ে তখন। মোবাইলে না পড়া মেসেজ; 'সন্ধ্যায় কেক কাটা হয়েছে, তোকে খুব মিস করেছি, তুই থাকলে আরো মজা হতো।'
রাত নয়টা পঞ্চান্ন।
বারোটার ঘর পেরুলে ১১ মে। ভাবছিলাম - আর কয়দিন! সাতাশ-আটাশ-নাকি উনত্রিশ? জানালার শাটার নামিয়ে এসব অহেতূক ভেবে আরো ঘন্টা পার। তারপর চোখ খুলে সকাল সাতটা চল্লিশ বা আরেকটু কম - ধুশশালা। ভো দৌড়।

আজ রবিবার।
কাজ তেমন নেই। শেষে আবার রাণী মাতার কবলে পড়েছি। কিছু রিপোর্ট বানাতে হবে। খালি পেটে পাউরুটি কফি দিয়ে মেইল, ব্লগে-পেপারে চোখ বুলিয়ে আইপিএলে চেন্নাই-পাঞ্জাবের স্কোর দেখছিলাম, তখন বাইরে তুমুল বাতাস। দো'তলার এ রূমে কাঁচের জানালা আছে, এক দিক খোলা যায়।
খানিক আকাশ, ওয়ার্ড বি'র বারান্দাগুলো, মুখোমুখি টিনশেডের ঘুপচি-বাসা। নিচের হাঁটার পথে টিনের ছাউনি। মাঝে দাঁড়িয়ে গোটা দশের রেইন ট্রি। উন্মাতাল বাতাসে শোঁ শোঁ শব্দ।
কবেকার ফেলে আসা বাঁশ ঝাড়ের সে আওয়াজ ফিরে আসে।
কম্পুতে - কমলো মেঘেদের ওজন।
দিনটি কেবলই কফিময় হতে পারতো। খিচুড়ি-ডিম ভুনা না পাওয়ার রোমান্টিসিজমে মন খারাপ করা হতে পারতো। তারপর, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'রেইনকোট' পড়া আরেকবার।
কিছুই হয় না।

কেবল স্মৃতিরা দুপদাপ হানা দেয় এমন দিনে।

1 মন্তব্য::

সৌরভ 25 June, 2008  

স্যার, আপনি এইগুলান কখন চুপিচুপি লেখেন?
আমাকে মাইনাস।
সময়মতো পড়তে পারি নাই বইলা।

  © Blogger templates The Professional Template by Ourblogtemplates.com 2008

Back to TOP