02 January, 2008

অনিশ্চয়তার গল্প এবং বৃথা রাশিফল সমাচার

আরও একটি বছর পার হয়ে গেলো কিংবা নতুন একটি বছর এলো । পৌঁণপুণিকতার এ ধারায় সময়ের ছুটে চলা । পলাতক সময়। বছরের শেষে এসে সবাই ফিরে তাকায় বিগত বারো মাসের বারোয়ারি ভাগ-বাটোয়ারায় । পাওয়া না পাওয়ার সমীকরণে আগামী বছরের প্রত্যাশার ভাবনাও জড়ো হয় । ক্যালেন্ডারের এই হিসেবটাই যেন আগামী দিনকে বাঁচিয়ে রাখে , স্বপ্নকে লালন করে। বাংলা সনের খতিয়ানে ব্যবসায়িক হালখাতার অন্য রূপ ব্যক্তি-মনে ঠাঁই করে নেয় । সেটাও আয়-দায়ের নিক্তি কাঠামোর বাইরে নয় ।

অদৃষ্টে বিশ্বাসীদের অনেকেই রাশিফলের বই নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে । কেমন যাবে নতুন বছর ; অর্থপ্রাপ্তি , স্বাস্থ্য , প্রেম-বিরহ-বিয়ে-রোমান্স , বিদেশ ভ্রমণ কিংবা পদোন্নতি । সাপ্তাহিক কিংবা পাক্ষিকগুলো ঢাউস আকারের রাশিফল সংখ্যা বের করে । রাশিভিত্তিক ভাগ্য গণনা, নারী-পুরুষ বিশেষে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান কিংবা নামের অদ্যাক্ষর দিয়ে নতুন বছরের ভাগ্য যাচাই চলে হরদম । সাথে যোগ হয় সেলিব্রিটিদের ভবিষ্যৎ বয়ান । নানান আপদ বিপদের ফাঁড়া কাটাতে পাথর নেয়ার পরামর্শও দেয়া হয় । দেশভিত্তিক রাশিফল আলাপও করে কেউ কেউ। দেশের ভাগ্য গণনায় বেশির ভাগ দেখা যায় বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগ হবে, ভারতে রেল দূর্ঘটনা ঘটবে, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীতে বিদ্রোহ দেখা দিবে - এরকম অনুমান ভিত্তিক ভবিষ্যৎবাণী। দেশের জনপ্রিয় একটি সাপ্তাহিকের রাশিফল সংখ্যা কিনেছিলাম পরপর তিন বছর । মজার ব্যাপার হলো - তিন বছরে রাশিফল সংখ্যার সম্পাদকীয়ের ভাষা একই রকম - "রাশিফলের বিজ্ঞান ভিত্তিক কোনো ব্যাখ্যা আছে কিনা আমরা জানি না । কোনো ব্যাখ্যা দেয়ায় আমাদের আগ্রহ নেই। অনেকেই প্রবলভাবে রাশিফলে বিশ্বাস করেন, আবার কেউ কেউ বিশ্বাস না করলেও আড়চোখে রাশিফল পড়ে নেন আগ্রহে । এরকম পাঠকের বিশাল অংশের চাহিদার দিকে লক্ষ্য করে এবারও আমরা রাশিফল সংখ্যা প্রকাশ করছি । আশা করছি সংখ্যাটি সারা বছর আপনার সংগী হিসেবে থাকবে ।"


২০০৭ সালের রাশিফলে "মা সুফিয়া খাতুন"এর চ্যালেঞ্জ ছিল - খালেদা জিয়া আবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন , আর সর্পরাজ এসএম শাহ ১০০% গ্যারান্টী দিয়ে বলেছিল - টু-থার্ড মেজরিটি নিয়ে শেখ হাসিনাই প্রাইম মিনিস্টার । সুফিয়া-শাহ' দের নেটওয়ার্ক ফ্রিকোয়েন্সীতে মাসুদ-মঈনুল-ফখরুদ্দিন ধরা পড়েনি । তবে নিশ্চিত এবারের রাশিফলে এদেরই কেউ কেউ ফলাও করে বলবে - "বাংলাদেশের রাজনীতিতে নাইন ইলেভেন , হাসিনা-খালেদা-তারেকের হাজত বাস, বেনেজিরের মৃত্যূ নিয়ে একমাত্র ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন জ্যোতিষি রাজ প্রফেসর হাবিলদার ।"


এসব ভূত-ভবিষ্যতের পরোয়া না করে বাংলাদেশ এবার পার করেছে ভয়াবহ সিডর, চট্রগ্রাম ভূমিকম্প। মাইনাস টু, প্লাস থ্রি' র রাজনৈতিক টানাপড়েন, বাংলাভাই-শায়খুলের ফাঁসি, ক্রিকেটের কিছু স্মরণীয় জয়, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের দেশে ফেরা, দূর্নীতির রং-বাহারী বস্ত্রহরণ, নানান জবানবন্দীর অডিও, গোপন কথা গোপন ছবি কিংবা গপ্পোগুজবে কঠিন শাসনের ছায়া । এ ছায়ার আগুনে আক্রান্ত কার্টুনিস্ট আরিফ । দেশের প্রধান দৈনিকগুলো বছরের প্রথম দিনে আলোচিত দশ চরিত্র নিয়ে ক্যারিকেচার করেছে, বিশ্লেষণ করেছে । রাজনীতি আর মসনদের রুই-কাতলাদের সাথে বিনোদন আশরাফুল-সাবিনা ইয়াসমিন সাথী হয়েছে । কেবল আরিফ নেই, কার্টুনিস্ট আরিফুর রহমান নেই। ধর্মীয় মৌলবাদের এ আগ্রাসন গত বছরে যে শংকা জাগিয়েছে তা প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় বিবেকদের কাউকে দেখা যায়নি । বরং সাজগোজ করে দল বেঁধে হাত জোড় করে অবনত হয়েছে এ অপশক্তির কাছে । কোথাও আলো নেই।

নির্বাচন হবে কি হবে না, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নাগালে আসবে কিনা এসবের সমাধানহীন প্রশ্নে নতুন বছরে কেমন থাকবে বাংলাদেশ ? অনিশ্চয়তার এ প্রশ্ন করতেই সাত্তার মামা একটি গল্প শুনিয়ে পাশ কাটিয়ে গেলেন:

" এক পরিবারে অদ্ভুত এক শিশুর জন্ম হলো।
প্রথম দিনে শিশুটি ভীষণ হাসিখুশি।
তবে পরদিন শিশুটি হঠাৎ 'মা- মা - মা ' বলে কান্না শুরু করলো । ঐদিনই শিশুটির মা মারা গেলো ।
পরদিন সকালে শিশু কান্না শুরু করলো - "নানা, নানা, নানা"। বিকেলে মারা গেলো নানা ।
শুরু হলো আতংক।
শিশুর কান্নার মাঝে এবার "মামা, মামা, মামা"। পরিণতিতে মামা মারা গেলো পরের বেলায়।
আতংক চরমে। সবার নজর শিশুর বাবার ওপর। এবার শিশুটি সত্যি সত্যি "বাবা বাবা বাবা" বলে কান্না শুরু করলো ।
বিকেলে মারা গেলো পাশের বাসার ভদ্রলোক।"
____________________

মত প্রকাশঃ সুমন রহমান হয়তো গল্পই লিখতে চেয়েছিলেন
লিখেছেন আনোয়ার সাদাত শিমুল (তারিখ: মঙ্গল, ২০০৮-০৭-২২ ২৩:২১)
ক্যাটেগরী: ব্লগরব্লগর


বাংলাদেশ থেকে সচলায়তন সাইট দেখা যাচ্ছে না। ব্যাপারটি কারিগরী ত্রুটি নাকি কারিগরী রোধ, তা এখনো পরিষ্কার নয়। এ নিয়ে দৈনিক প্রথম আলো’র কলাম১ এ ছোট্ট নিউজ, এরপর একই পত্রিকায় ২১ জুলাইয়ে পল্লব মোহাইমেনের লেখা, এবং ২২ জুলাইয়ে ছাপা হয়েছে ‘কবি, কথাসাহিত্যিক’ সুমন রহমানের মত প্রকাশ ‘সচল থাকুক সচলায়তন’।

গতকাল লেখার শিরোনাম দেখে ভেবেছিলাম কারিগরী ত্রুটি কিংবা রোধ’এর রহস্যময়তা কাটিয়ে সচলায়তন পাতা বাংলাদেশে উন্মুক্ত হোক (অথবা না হোক), এমন কিছু চাইছেন সুমন রহমান। কিন্তু না; এ লেখায় সুমন রহমান নানান প্রাসংগিক-অপ্রাসংগিক বিষয় টেনে এনে রহস্যময়তার জাল আরো বিস্তৃত করেছেন, কিংবা চেষ্টা করেছেন কিছু ধোঁয়া উড়াতে। এ ধোঁয়ার কুন্ডলীতে তিনি ব্লগের উত্তর-আধুনিকতার ধারণা কপচিয়েছেন। ২০০৮ এর ব্লগ যদি উত্তরাধুনিক হয়, মনে প্রশ্ন জাগে, কাল-ধারণার এ মানদন্ডে ‘প্রায় দশক পুরোনো’ ব্লগ কবে আধুনিক, মধ্যযুগ বা প্রস্তর যুগ পেরিয়েছে? তার সময় সীমানা কতো সাল থেকে কতো সাল? শিরোনামের বক্তব্যের বাইরে গিয়ে সুমন রহমান যদি বৈশ্বিক বা বাংলাদেশ প্রেক্ষিতে ব্লগের ধারণা-চরিত্র বা ইতিহাস নিয়ে তার নিজস্ব যুক্তি-দর্শন তুলে ধরতেন, তারপর সচলায়তনকে ন্যায়-অন্যায় কিংবা মানদন্ডের থার্মোমিটারে নিয়ে পারদ কতোটুকু ওঠানামা করলো তা বলতেন; সেটাও মেনে নিতাম।

কিন্তু, সুমন রহমান সেসব কিছুই করেননি।
বাংলা ভাষার জনবহুল সাইটটির প্রসংগ টেনে সুমন রহমান ক্রমাগতঃ অসত্য প্রলাপ বকে গেছেন, পলেস্তারা লাগিয়েছেন ভাষার কারুকার্যে। সুমন রহমান বাংলা ব্লগস্ফিয়ারে কতোটা চোখ বুলান, সে সন্দেহ রাখছি প্রথমেই। নয়তো তার জানার কথা, বাংলা ব্লগ হিসেবে পরিচিত সব সাইটে প্রকাশ্য কিংবা অপ্রকাশ্য নীতিমালা-নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। সারা আলোচনায় সচলায়তন ও সা.ইন ছাড়া অন্য কোন ব্লগ কিংবা ফোরামের ছায়াও তিনি মাড়াননি। অথচ অদ্ভুতভাবে ব্লগ বিষয়ক তত্বকথায় অসম তুলনা করে গেছেন চোখ বুঁজে। সুমন রহমানের সম্ভবত ধারণা নেই, তাঁর উল্লেখিত পনের হাজার সদস্যের ব্লগটিতেও ভালো লেখা দিয়ে প্রথম পাতায় আসার ও অন্যের লেখায় মন্তব্য করার অনুমতি পেতে হয়, সেটা কতোটা কার্যকর তা সংশ্লিষ্টরাই ভালো বলতে পারবেন। তবে নিয়ন্ত্রণের এ বাস্তবতা সচলায়তনে তো শুরু থেকেই ছিলো! আর সচলায়তন যেখানে ঘোষিত ‘ক্লোজড গ্রুপ’, জনবাহুল্য কিংবা কোলাহলের মোহ নেই - সেখানে নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকারের তকমা নিয়ে টানাটানি কেনো?

তৃতীয় প্যারায় সুমন রহমান বলেছেন, ‘...সচলায়তন মূলত সামহোয়ারইনব্লগ ভাঙা একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী, আকারে অনেক ছোট এবং এখানে লেখক হিসেবে ঠাঁই পেতে হলে রীতিমতো বর্ষব্যাপী সাধনা করতে হয়।‘
সচলায়তন অন্য কোনো সাইটের ভাঙা গোষ্ঠী কিনা সে আলাপ নতুন করে করা মানে সুমন রহমানকে বাংলা ব্লগিং এর আদিম যুগ অধ্যায়ে চোখ বুলাতে বলা। সচলায়তনের ১ম দিকের পোস্ট এবং গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলায় অপর্ণার লেখার মন্তব্য ঘরে কিছু রসদ পাওয়া যেতে পারে। ‘উত্তরাধুনিক ব্লগ মাধ্যম’এর পর্যবেক্ষক সুমন রহমান সে সব পোস্ট লিংক নিজেই খূঁজে পাবেন, এমনটিই ধারণা করছি।
কিন্তু তাঁর সৃষ্ট ধোঁয়ার একটা জায়গায় ফু না দিয়ে পারছি না।
‘এখানে লেখক হিসেবে ঠাঁই পেতে হলে রীতিমতো বর্ষব্যাপী সাধনা করতে হয়।‘ এ কথাটি কতোটুকু সত্য? এটা ঠিক যে নিয়মিত লিখে কমেন্ট করে সচলায়তনে সদস্য হতে হয়, খানিক সময় লাগে। কিন্তু এর জন্য কে বা কারা ‘রীতিমতো বর্ষব্যাপী সাধনা’ করলেন সেটা কি সুমন রহমান বলবেন? সচলায়তনের ১ম বর্ষ পূর্ণ হলো সপ্তাহ কয়েক আগে। এর মধ্যে বর্ষব্যাপী সাধনা করলেন কে কে? গত এক বছর সচলায়তনে চোখ বুলিয়ে এমন সাধক কাউকেই তো পেলাম না! গল্পকার সুমন রহমান গল্পের পুকুরে আগুন লাগিয়ে, পুকুরের মাছ গাছে তুলে, গাছে বসে থাকা ছাগলের সাথে মাছের পীরিতালাপের পুঁথি রচনা করলে ২০০৮ সালে পাঠকের করুণাই পাবেন, আর কিছু না। কারণ ‘মিথ্যা’কে সুশীল মোড়কে যতই ‘অসত্য’ বলিনা কেনো, সেটা মিথ্যা। ভাষার কারুকার্যে ও ক্রমাগত চাতুর্য্যে লেখায় ভার হয়, ধারও হয়; মিথ্যাকে সত্য করা যায় না।

‘লোহার বাসর বানালে ছিদ্র সেখানে থাকেই’, ৬ষ্ঠ প্যারার শুরুতে বলেছেন সুমন রহমান, ‘সচলায়তনের সহিংস বিক্ষোভ হয়তো সেই ছিদ্রপথ দিয়ে বেরিয়ে এসেছে’।
কবি, কথাসাহিত্যিক সুমন রহমানের এ শব্দবিন্যাসে চমক আছে, রূপক আছে। হয়তো শুনতেও ভালো লাগে। কিন্তু নেই, বাস্তবতার ছিটেফোটা।
পড়ে মনে হতে পারে, সচলায়তন বোধ হয় ভীষণ গোপন কোনো সাইট বা গ্রুপ যার চালুনির ফুটো দিয়ে ‘সহিংস বিক্ষোভ’ জনচোখে এসে পড়েছে। সুমন রহমান কি জানেন না, সদস্য না হয়েও সচলায়তন পড়া যায়, লেখা যায়, কমেন্ট করা যায়?
সচলায়তন কিংবা অন্য ব্লগ সাইট নিয়ে সুমন রহমানের ধারণা-অভিজ্ঞতা নিয়ে সন্দেহটা তাই আবারও তুললাম। আর জানতে চাই ইন্টারনেটে ‘সহিংস বিক্ষোভ’ জিনিসটা আসলে কী? সচলায়তনে ‘সহিংস বিক্ষোভ’ কখন কীভাবে হলো যে ‘নিয়ন্ত্রিত নৈরাজ্য’ নিয়ে তাঁকে ভাবতে হচ্ছে!

এবার তাঁর লেখার একেবারে শেষ দুটি কথায় নজর দিই।
‘সচলায়তনকে কোনো বিপ্লবী গোষ্ঠী বা কঠোর গ্রুপ বলে মনে হয়নি কখনোই। ...গোষ্ঠীগত অহম বা আভিজাত্যবোধ আছে ওদের, সে অন্য প্রসঙ্গ। ...আমি মনে করি, তাদের যে ভুল তা স্রেফ শিক্ষানবিশির ভুল, এর ফলে তাদের যদি সত্যি সত্যি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হয়ে থাকে, তবে তা লঘুপাপে গুরুদন্ড হয়ে গেছে। অন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া যেত। আমরা বরং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশি তরুণদের পরষ্পরের সঙ্গে কথা বলার, একে অপরের মাঝে দেশকে খুঁজে ফেরার এ প্রয়াসটিকে চলতে দিলেই সুবুদ্ধির পরিচয় দেব।‘

সুমন রহমানের লেখার এ অংশটিকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছি। কারণ, শুরু থেকে ইতস্ততঃ জল ঘোলা করে লেখার এখানে এসে তিনি একটি দাগ টেনেছেন যার এক পাশে আছে ‘ওরা’ (অহম/আভিজাত্যবোধ সম্পন্ন সচল দল), অন্য পাশে আছেন ‘আমরা’ (যাঁরা সচলের প্রয়াসটিকে চলতে দিয়ে সুবুদ্ধির পরিচয় দিতে চান।)
বুঝলাম, ওরা = সচলায়তনে যারা লিখেন, কমেন্ট করেন।
কিন্তু, আমরা = ?
সুমন রহমান এই ‘আমরা’র মাঝে আছেন। কিন্তু সাথে কে/কারা কাছেন? কোন দল বা নীতি নির্ধারণী সংঘের প্রতিনিধিত্ব তিনি করছেন যে, ‘আমরা’ হয়ে সুবুদ্ধির পরিচয় দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন?

বাংলাদেশ থেকে সচলায়তন দেখার সমস্যা যখন রহস্যময় হয়ে রয়েছে তখন সুমন রহমান কোন ‘শিক্ষানবিশি ভুল’এর প্রতি ফোকাস করলেন? কোন ‘লঘুপাপ’ এর শাস্তি হিসাবে ‘অন্য কোন ব্যবস্থা’রও প্রস্তাব করলেন? এ দুটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলে, বাংলাদেশ থেকে সচলায়তন না দেখার রহস্য সমাধানও হয়তো হতো। নাকি ধরে নেবো, সুমন রহমান আসলে এ বিষয়ে একটি গল্পই লিখতে চেয়েছিলেন, ভুলে মত প্রকাশ কলাম হয়ে গেছে...!!!

ডুমুর খেয়ে শায়লার দিকে যেতে যেতে গরিবি অমরতার গল্পকথা নয়, আগামীতে মত প্রকাশে সুমন রহমান তথ্য ও সত্যের আশ্রয়ী হবেন; এমনটিই কামনা করছি।

.
.
.

1 মন্তব্য::

সৌরভ 04 January, 2008  

সাত্তার মামারে গুল্লি!

  © Blogger templates The Professional Template by Ourblogtemplates.com 2008

Back to TOP