08 October, 2006

ভুল মিসটেকের ফাঁদে

কয়েকটা পোস্টের লিংক পাঠিয়েছিলাম। ভার্সিটির ক্লাসমেট অংকন মেইল করেছে - ’এতো ডিপ্রেসিং লেখা লিখিস না। মানুষের জীবনে তো কষ্টের শেষ নাই, আরো মন খারাপ করিয়ে দিয়ে কী লাভ?’
তাই এবার হাসার কিংবা হাসানোর - সাথে সাথে মন ভালো করার একটা ভুল চেষ্টা। সব প্রিন্ট মিসটেক আর টাইপিং এররে ভুলে ভুলে ভরা -



সংযমঃ
গত রমজানের কথা।
আমি দেশের বাইরে আসার পর প্রথম রমজান। ঈমাণী জোশে অনুপ্রাণিত হয়ে বেশ ক’জন বন্ধু ই-গ্রিটিংস কার্ড পাঠালো। এক বন্ধু মেইল করলো - ড়থশথষ-প ংথলস শসয়স ঢ়ভসষবসশ ঢ়থনভসষথ রসড়স...
আমি রিপ্লাই করলাম - নাউজুবিল্লাহ!!!



ছাপাখানার ভূতঃ
১৯৯৭/৯৮ সালে দৈনিক ভোরের কাগজের ম্যাগাজিন ’অবসর’-এ পড়েছিলাম। একবার এক জায়গায় পুলিশ-জনগণ সংঘর্ষ হলো। তিনজন মারা গেলো। পরদিন একটি পত্রিকা নিউজ করলো - পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত। কিন্তু ছাপাখানার ভূতের কেরামতিতে পত্রিকায় ছাপা হলো - "পুলিশের গু-তে তিনজন নিহত"!
পরদিন বিশাল হৈচৈ। হাসাহাসি। প্রতিবাদ।
পত্রিকা কতৃপক্ষ ক্ষমা প্রার্থনা করলো। পরদিন সংশোধনী ছাপালো - এই ছাপাজনিত বিভ্রাটের কারণে আমরা দুঃখিত।
কিন্তু আবারো ছাপাখানার ভূতের কারসাজি। ’ছাপা’ উলটে পত্রিকায় প্রকাশিত হলো - "এই পাছাজনিত বিভ্রাটের কারণে আমরা দুঃখিত" !!!



মিস য়ূøঃ
আমার এক দোস্ত একবার ইয়াহু চ্যাটরুমে একটা মেয়ের সাথে পরিচিত হলো। মেয়ে বাবা-মাসহ ক্যানাডায় থাকে। বিবিএ পড়ছে। দোস্ত বেশ ভালোই গল্প গুজব জমালো। অনেক কথা। ঐ মেয়ে নাকি সাংঘাতিক ইম্প্রেসড। বারবার বলছে - নেটে অনেকদিন পর ভদ্র কথা বলা কোন ছেলে দেখলাম, আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো, আমার ঢাকার বন্ধুদের খুব মিস করি, মাঝে মাঝে এরকম কথা হবে।
এসব শুনে আমার দোস্ত বিশাল পাংখা!
ঘন্টা দু’য়েকের চ্যাটিংয়ের শেষের দিকে - গুড বাই, গুড নাইট, টেক কেয়ার এর সাথে আমার দোস্ত লিখতে চাইলো - মিস য়ূø। কিন্তু অতি উতসাহে দ্রুত টাইপ করতে আঙুল ফসকে লিখলো - কিস য়ূø!!! টাইপিং এরর।
এরপর ঐ মেয়ের ঝাড়ি কে দেখে - ’ছিঃ ছিঃ আপনি শেষে এসে এরকম একটা বাজে কথা বললেন? আই ক্যান্ট ইমাজিন! য়ূø অল বয়েজ আর সেইম... কালপ্রিট..."
আমার দোস্ত ’প্লিজ ট্রাই টু আন্ডারস্ট্যান্ড...’ লিখার আগেই ঐ মেয়ে লগ আউট।
টাইপিং এররে অনলাইন বিচ্ছেদ।



আবারো ছাপাখানার ভূতঃ
এ ব্যাপারটা প্রতি বছর ঘটে। কোরবানীর সবচে দামী গরুর ছবি ছাপা হয় পত্রিকায়, সাথে সাথে যিনি গরুটি কিনেছেন তারও হাস্যোজ্জ্বল ছবি ছাপা হয় পাশাপাশি।
একবার জনৈক ইদি্রস আলী ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে গাবতলী গরুর হাটের সবচে’ দামী গরুটি কিনলো । সাংবাদিকরা তার বাসায় ভীড় করলো। গরুর ছবি তুললো, গরুর ক্রেতার ছবিও। পরদিন পত্রিকায় দুজনেরই ছবি ছাপা হলো। কিন্তু ছবির ক্যাপশন উলটা-পালটা হয়ে গেলো।
ইদি্রস আলীর ছবির নিচে ছাপা হলো - এই গরুটির দাম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আর গরুর ছবির নিচে ছাপা হলো - পাশের গরুটিকে কিনেছেন এই ভদ্রলোক, নাম - জনাব ইদি্রস আলী !!!
.........
টাইপিং এররে একবার আমার মান-ইজ্জত পুরা ডুবতে বসেছিল। অল্পের জন্য বেঁচে গেছি! ...ব্যাপারটির বিবরণ ডিসেন্সীর লাইন ক্রস করবে বলে এখন শেয়ার করতে পারছি না! সুযোগ পেলে অন্য কোনদিন...

0 মন্তব্য::

  © Blogger templates The Professional Template by Ourblogtemplates.com 2008

Back to TOP